Assignment 

Class 9 Physics Assignment Answer 2021 with PDF (9th Week)

DSHE 9th week class nine Physics assignment solution 2021. Class 9 Physics assignment answer 2021 PDF is available on our website. Science group physics assignment has been published on the official website of the Directorate of Secondary and Higher Education. To get class 9 assignment answer follow this post.

However, the assignment solution will be published on our website. So let’s download the assignment solution.

Class 9 Physics Assignment Answer 2021

In the sixth week, Physics assignments will be given to the students of class 9. Physics is a group-based subject. This subject is compulsory for students of science group.

This subject is a little difficult among the other subjects of the science group. But if you understand, everything is easy. However, the answer to the assignment of this subject will be published in this post.

Every week, assignment answers of all the subjects of class nine are published on our website. Similarly, this week’s Physics assignment answer will also be published. So let’s look at the physics assignment and the assignment answer.

Check Also: Download Class 9-10 Physics Book PDF

Class Nine Physics Assignment Answer 2021

Here you will find 6th & 9th week class nine Physics assignment answer 2021. Our experienced person will solve the assignment.

9th Week Physics Assignment Question & Answer

Assignment Answer

আধুনিক সভ্যতা হচ্ছে বিজ্ঞানের অবদান। বিজ্ঞানের এই অগ্রগতি এক দিনে হয়নি, শত শত বছর থেকে অসংখ্য বিজ্ঞানী এবং গবেষকের অক্লান্ত পরিশ্রমে একটু একটু করে আধুনিক বিজ্ঞান বর্তমান অবস্থায় পৌঁছেছে। বিজ্ঞানের যে শাখায় পদার্থ ও শক্তি নিয়ে আলােচনা করা হয় সেই শাখাকে পদার্থবিজ্ঞান বলা হয়। পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষণ ও বিশ্লেষণের আলােকে বস্তু ও শুক্তির রূপান্তর ও সম্পর্ক উদঘাটন এবং পরিমাণগতভাবে তা প্রকাশ করাই হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

পদার্থবিজ্ঞানের পরিসর

পদার্থবিজ্ঞান যেহেতু বিজ্ঞানের প্রাচীনতম শাখা এবং সবচেয়ে মৌলিক শাখা,শুধু তাই নয় বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা কোনাে না কোনােভাবে এই শাখাকে ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই পদার্থবিজ্ঞানের পরিসর অনেক বড়। পদার্থবিজ্ঞান হচ্ছে বিজ্ঞানের একটি মৌলিক শাখা কেননা এর নীতিগুলােই বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখাসমূহের ভিত্তি তৈরি করেছে।

উদাহরণ স্বরূপ, শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতি হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানের একটি মূল নীতি যা হচ্ছে পরমাণুর গঠন থেকে শুরু করে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দান পর্যন্ত বিজ্ঞানের বিস্তৃত এলাকার মূল ভিত্তি। প্রকৌশলশাস্ত্র থেকে শুরু করে চিকিৎসা বিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান থেকে শুরু করে সমুদ্রবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান থেকে শুরু করে মনােবিজ্ঞান সর্বত্র পদার্থবিজ্ঞানের পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতির প্রভূত ব্যবহার রয়েছে।

পদার্থবিজ্ঞানকে নিম্নোক্ত শাখাগুলােতে ভাগ করতে পারিঃ

বলবিজ্ঞান, তাপ ও তাপগতিবিজ্ঞান, শব্দবিজ্ঞান, আলােকবিজ্ঞান,তাড়িত চৌম্বকবিজ্ঞান, কঠিন অবস্থার পদার্থবিজ্ঞান, পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান। নিউক্লীয় পদার্থবিজ্ঞান, কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান, ইলেকট্রনিক্স ইত্যাদি।

পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবিকাশ যেভাবে ঘটেছে:

আধুনিক সভ্যতা বিজ্ঞানের ফসল। বিজ্ঞানের এই অগ্রগতির পেছনে রয়েছে বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত পরিশ্রম, নানা আবিষ্কার ও উদ্ভাবন। বিজ্ঞানের কোনাে জাতীয় বা রাজনৈতিক সীমা নেই। বিজ্ঞানের উন্নতি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ সকল জাতির সকল মানুষের জন্য। প্রাচীনকাল থেকেই বিজ্ঞানীরা বিজ্ঞানের উন্নয়নে অবদান রেখে আসছেন। থেলিস সূর্যগ্রহণ সম্পর্কিত ভবিষ্যদ্বাণীর জন্য বিখ্যাত। তিনি লােডস্টোনের চৌম্বক ধর্ম সম্পর্কেও জানতেন। বিজ্ঞানের ইতিহাসে পিথাগােরাস একটি স্মরণীয় নাম। বিভিন্ন জ্যামিতিক উপপাদ্য ছাড়াও কম্পমান তারের উপর তাঁর কাজ অধিক স্থায়ী অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছিল।

বর্তমানে বাদ্যযন্ত্র ও সংগীত বিষয়ক যে স্কেল রয়েছে তা তারের কম্পন বিষয়ক তাঁর অনুসন্ধানের আংশিক অবদান। গ্রিক দার্শনিক ডেমােক্রিটাস ধারণা দেন যে পদার্থের অবিভাজ্য একক রয়েছে। তিনি একে নাম দেন এটম বা পরমাণু। পারমাণু সম্পর্কে তাঁর এই ধারণা বর্তমান ধারণার চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা হলেও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। গ্রিক বিজ্ঞানী আর্কিমিডিস লিভারের নীতি ও তরলে নিমজ্জিত বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল উর্ধ্বমুখী বলের
সূত্র আবিষ্কার করে ধাতুর ভেজাল নির্ণয়ে সক্ষম হন। তিনি গােলীয়। দর্পণের সাহায্যে সূর্যের রশ্মি কেন্দ্রীভূত করে আগুন ধরানাের কৌশলও জানতেন।

আর্কিমিডিসের পর কয়েক শতাব্দীকাল বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার মন্থর গতিতে চলে। প্রকৃতপক্ষে ত্রয়ােদশ শতাব্দীর পূর্বে ইউরােপে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসার পুনর্জীবন ঘটেনি। এই সময় পশ্চিম ইউরােপীয় সভ্যতা বিশেষভাবে গ্রহণ করেছিল বাইজানটাইন ও মুসলিম সভ্যতার জ্ঞানের ধারা। আরবরা বিজ্ঞান, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, রসায়ন ও চিকিৎসা।
বিজ্ঞানেও বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। এই সময় পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা আলােক তত্ত্বের ক্ষেত্রে ইবনে আল হাইথাম এবং আল হাজেন এর অবদান বিশেষ উল্লেখযােগ্য। টলেমি ও অন্যান্য প্রাচীন বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করতেন। যে কোনাে বস্তু দেখার জন্য চোখ নিজে আলােক রশ্মি পাঠায়। আল হাজেন এই মতের বিরােধিতা করেন এবং বলেন যে বস্তু থেকে আমাদের চোখে আলাে আসে বলেই আমরা বস্তুকে দেখতে পাই। আতশি কাচ নিয়ে পরীক্ষা তাঁকে উত্তল লেন্সের আধুনিকতত্ত্বের কাছাকাছি নিয়ে আসে।।

আল-মাসুদী প্রকৃতির ইতিহাস সম্পর্কে একটি এনসাইক্লোপিডিয়া লেখেন। এই বইয়ে বায়ুকলের উল্লেখ পাওয়া যায়। বর্তমানে পৃথিবীর অনেক দেশে এই বায়ুকলের সাহায্যে তড়িৎশক্তি উৎপাদন করা হচ্ছে। রজার বেকন ছিলেন পরীক্ষামূলক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রবক্তা। তাঁর মতে পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষার মাধ্যমেই বিজ্ঞানের সব সত্য যাচাই করা উচিত। বর্তমানে । বাদ্যযন্ত্র ও সংগীত বিষয়ক যে স্কেল রয়েছে তা তারের কম্পন বিষয়ক তাঁর অনুসন্ধানের আংশিক অবদান।

গ্রিক দার্শনিক ডেমােক্রিটাস ধারণা দেন যে পদার্থের অবিভাজ্য একক রয়েছে। তিনি একে নাম দেন এটম বা পরমাণু । পারমাণু সম্পর্কে তাঁর এই ধারণা বর্তমান ধারণার চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা হলেও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। গ্রিক বিজ্ঞানী আর্কিমিডিস লিভারের নীতি ও তরলে নিমজ্জিত বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল ঊর্ধ্বমুখী বলের সূত্র আবিষ্কার করে ধাতুর ভেজাল নির্ণয়ে সক্ষম হন। তিনি গােলীয় দর্পণের সাহায্যে সূর্যের রশ্মি কেন্দ্রীভূত করে আগুন ধরানাের কৌশলও জানতেন।

আর্কিমিডিসের পর কয়েক শতাব্দীকাল বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার মন্থর গতিতে চলে। প্রকৃতপক্ষে ত্রয়ােদশ শতাব্দীর পূর্বে ইউরােপে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসার পুনর্জীবন ঘটেনি। এই সময় পশ্চিম ইউরােপীয় সভ্যতা বিশেষভাবে গ্রহণ করেছিল বাইজানটাইন ও মুসলিম সভ্যতার জ্ঞানের ধারা। আরবরা ব্রিজ্ঞান, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, রসায়ন ও চিকিৎসা | বিজ্ঞানেও বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। এই সময় পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা আলােক তত্ত্বের ক্ষেত্রে ইবনে আল হাইথাম এবং আল হাজেন এর অবদান বিশেষ উল্লেখযােগ্য।

নিউটন তাঁর বিস্ময়কর প্রতিভার দ্বারা আবিষ্কার করেন বলবিদ্যা ও বলবিদ্যার বিখ্যাত তিনটি সূত্র এবং বিশ্বজনীন মহাকর্ষ সূত্র। আলােক, তাপ ও শব্দবিজ্ঞানেও তার অবদান আছে। গণিতের নতুন শাখা ক্যালকুলাসও তাঁর আবিষ্কার। অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীর আবিষ্কার ও উদ্ভাবন ইউরােপকে শিল্প বিপ্লবের দিকে নিয়ে যায়। জেমস ওয়াটের আবিষ্কৃত বাষ্পীয় ইঞ্জিন শিল্প বিপ্লবের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হ্যান্স ক্রিফিয়ান ওয়েরস্টেড দেখান যে, তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া আছে। এই আবিষ্কার মাইকেল ফ্যারাডে, হেনরী ও লেঞ্জ কে পরিচালিত করে চৌম্বক ক্রিয়া তড়িৎ প্রবাহ উৎপাদন করে এই ঘটনা আবিষ্কারের দিকে। আসলে এটি হলাে যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়া আবিষ্কার।

১৮৬৪ সালে জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল দেখান যে আলাে এক প্রকার তাড়িত চৌম্বক তরঙ্গ। তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্রকে একীভূত করে তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের বিকাশ ঘটান। ১৮৮৮ সালে হেনরিখ হার্জও একই রকম বিকিরণ উৎপাদন ও উদঘাটন করেন। ১৮৯৬ সালে মার্কনী এ রকম তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে মাের্সকোডে সংকেত পাঠানাের ব্যবস্থা করেন। তারও আগে বাঙালি বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু তাড়িত চৌম্বক তরঙ্গের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি প্রেরণে সক্ষম হন। এভাবে বেতার যােগাযােগ জন্মলাভ করে।

এই ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে রনজেন এক্স-রে এবং বেকেরেল ইউরেনিয়ামের তেজক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। বিংশ শতাব্দীতে । পদার্থবিজ্ঞানের বিস্ময়কর অগ্রগতি ঘটে। ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক আবিষ্কার করেন বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম তত্ত্ব। আলবার্ট আইনস্টাইন প্রদান করেন আপেক্ষিক তত্ত্ব। এই দুই তত্ত্ব আগেকার পরীক্ষালব্ধ ফলাফলকেই শুধু ব্যাখ্যা করেনি, এমন ভবিষ্যদ্বাণীও প্রদান করেছে যা পরে আরাে পরীক্ষানিরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে। আর্নেস্ট রাদারফোর্ডের পরমাণু বিষয়ক নিউক্লীয় তত্ত্ব ও নীলস বােরের হাইড্রোজেন পরমাণুর ইলেকট্রন স্তরের ধারণা পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ছিল।

পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার ঘটে ১৯৩৮ সালে। এই সময় ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান বের করেন যে নিউক্লীয়াস ফিশনযােগ্য। ফিশনের ফলে একটি বড় ভর সংখ্যা বিশিষ্ট নিউক্লীয়াস প্রায় সমান ভর সংখ্যা বিশিষ্ট দুটি নিউক্লীয়াসে রূপান্তরিত হয় এবং নিউক্লীয়াসের ভরের একটি অংশ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়- জন্ম নেয় নিউক্লীয় বােমা ও নিউক্লীয় চুল্লির।

বর্তমানে আমরা নিউক্লীয়াস থেকে যে শক্তি পাচ্ছি তা অতীতের সকল উৎস থেকে প্রাপ্ত শক্তির তুলনায় বিপুল। দিন দিন নিউক্লীয় শক্তি শক্তির একটি প্রধান উৎস হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। এই শতাব্দীতেই তাত্ত্বিক । পদার্থবিজ্ঞানে বিকাশ লাভ করেছে কোয়ান্টাম তত্ত্ব, আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রভৃতি।

তিনজন নােবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী পাকিস্তানের প্রফেসর আবদুস সালাম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শেলডন গ্লাশাে এবং স্টিভেন ওয়াইনবার্গ একীভূত ক্ষেত্ৰতত্ত্বের বেলায় মৌলিক বলগুলােকে। একত্রীকরণের ক্ষেত্রে তাড়িত দুর্বল বল আবিষ্কার করে অসামান্য অবদান রাখেন।

বিংশ শতাব্দীতে চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে পদার্থবিজ্ঞান রাখছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি আবিষ্কারের পাশাপাশি তেজক্রিয় আইসােটপ বিভিন্ন চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে রােগ নিরাময়ের ক্ষেত্রেও অসামান্য অবদান রাখছে।

বিংশ শতাব্দীতে পদার্থবিজ্ঞানের আরেকটি গুরত্বপূর্ণ অগ্রগতি মহাশূন্য অভিযান। চাঁদে মানুষের পদাপর্ণ থেকে শুরু করে মঙ্গল গ্রহে অভিযানসহ মহাশূন্য স্টেশনে মাসের পর মাস মানুষের বসবাস জ্ঞানের ক্ষেত্রে অসামান্য অগ্রগতি। কৃত্রিম উপগ্রহ আবহাওয়ার পূর্বাভাস দানে কিংবা যােগাযােগকে সহজ করতে চমৎকার অবদান রাখছে। আর ইলেকট্রনিক্স তাে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নিয়ে এসেছে বিপ্লব, পাল্টে দিচ্ছে জীবন যাপন প্রণালি। রেডিও, টেলিভিশন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মােবাইল ফোন, আই প্যাড আর কম্পিউটারের কথা এখন ঘরে ঘরে। বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ও কম্পিউটার মানুষের ক্ষমতাকে অনেকখানি বাড়িয়ে দিয়েছে।

6th Week Homework Answer

  • Assignment Answer

Assignment solution image and download link is given below.

Good to Know

Here are some tips to help you get better at physics-

  1. Physics is the sum of some formulas and these formulas are the basis of physics. If you memorize these formulas well, you will easily understand other parts of physics as well. But try to understand rather than memorize the formulas.
  2. There are many equations in physics that you will find many times while reading physics. Some of these equations are very easy and some are very complex. But the interesting thing is that all of the complex equations come from simple equations. So first of all master the general equations of physics.
  3. The results of using the wrong unit for mathematical problems may not be acceptable. Also, if you remember the formulas as well as the units, you can solve any kind of problem very quickly. So remember the most used units and learn to find the unit based on the data mentioned in the question.

Disclaimer:Dear, For your kind, we want to disclaim that all informations have been presented here in this content are collected from internet through official notice and news sources. As no one is up above to mistakes, so there may be some willing mistakes beyond our sight. Please pardon us for these unintesional mitakes and let us know about it through our

email: admin@admissionwar.com or Click Here.

admissionwar-fb-pageaw-fb-group

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button